নির্বাচনী প্রতীক: জামায়াতে ইসলামী
ঢাকা-১৫ • জামায়াতে ইসলামী
চিকিৎসা সেবা: তিনি একজন এমবিবিএস চিকিৎসক এবং ব্যক্তিগত জীবনেও আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকেন ।
উদ্যোক্তা: তিনি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । এটি কেবল একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি দেশের স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ: তিনি বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বেশ কিছু এতিমখানা, মসজিদ, দাতব্য সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন ।
ডাঃ শফিকুর রহমান বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত সোচ্চার। তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছেন এবং সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন । এমনকি তিনি তার দল থেকে হিন্দু প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ারও প্রস্তাব করেছেন, যা জামায়াতের চিরাচরিত রক্ষণশীল ইমেজের সম্পূর্ণ বিপরীত ।
তিনি কর্মক্ষেত্রে নারীর অধিকার এবং তাদের পোশাকের স্বাধীনতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তার মতে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে জামায়াত নারীদের কাজ করার সুযোগ এবং তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে । এটি ইসলামপন্থী রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণগত পরিবর্তন।
ডাঃ শফিকুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে বিদ্যমান "ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট" নির্বাচনী ব্যবস্থার পরিবর্তে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation) পদ্ধতির জোরালো দাবি জানাচ্ছে । তারা মনে করে এই পদ্ধতিটি সংসদকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে সহায়তা করবে।
তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে নির্বাচনী সংস্কারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আমূল সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন । তার মতে, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে আগে প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি দূর করতে হবে।